দ্বীনহীনের দিনলিপি :: ৫ জুলাই ২০১৯


বুর্জোয়া মিডিয়াকে আমি অবিশ্বাস করি, যখন তারা গোলাপ নিয়ে আসে, তখনও৷ (হুমায়ূন আজাদের প্রবচন স্মরণে রেখে)
.
চাইনিজের দোকানে গিয়েছিলাম চা খেতে৷ চাইনিজ আমাকে দেখিয়ে এক খদ্দেরকে বলছে, ‘আপনি পারবেন না বুঝছেন? আপনার হার্ট দুর্বল৷ খালি আপনার না আমজনতারই হার্ট দুর্বল৷ এই যে সাম্য দা আসছে৷ ইনি কবি; বুঝছেন? কবির হার্ট মজবুত৷ কড়া লিকার খাইতে খাইতে হার্ট মজবুত হইছে৷’ বলে ও হাসতে হাসতে আমাকে এক কাপ কড়া লিকার দিলো৷ আমি হতভম্ব হয়ে চায়ে চুমুক দিলাম৷ তারপর থেকে হাসতেছি৷

সৈয়দ হকের কবর বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিলো৷ উপরে টিনের চালা দেয়া দেয়া হলেছিলো বৃষ্টি ঠেকাতে৷ সেই বেড়া আর চালা দুমড়ে–মুচড়ে পড়ে আছে৷ এখনকার অবস্থা দেখে ইমতিয়াজ মাহমুদের ‘সব কবি মরে যায়’ কবিতাটির কথা মনে পড়ছে৷ যথার্থ কবিতাখানি৷

মনোসরণি ব্যাণ্ডের একটা গান আছে, ‘তোমাকে ছাড়া কি একা বাঁচা যায়, বলো একা বাঁচা যায় / তোমাকে ছাড়া কি বিপ্লব হয়, বলো বিপ্লব হয়৷’ এক সময় নিয়মিত শুনতাম৷ আজ বহুদিন বাদে ইউটিউব চোখের সামনে এনে দিলো৷ আবারও শুনলাম অনেকক্ষণ৷ মুয়ীয মাহফুজের কথা ও সুরে সুন্দর গান৷ আসলেই তো, তোমাকে ছাড়া কি… ৷ শহীদ কাদরীর জনপ্রিয় কবিতা ‘সংযোগ’, এটিকেও মুয়ীয মাহফুজ সুরারোপ করে গানে পরিণত করেছেন৷ ওটাও ভাল৷ ‘প্রেমিক মিলবে প্রেমিকার সাথে ঠিকই / কিন্তু শান্তি খুঁজে পাবে না পাবে না পাবে না৷’

বাঙলাদেশের লিটলম্যাগ পরিস্থিতি নিয়ে যে প্রবন্ধটি একদা লিখেছিলাম ‘বাঙলাদেশের লিটল ম্যাগাজিন: পাঠক কমেছে, পাঠক বেড়েছে’ শিরোনামে, সেটি আজ বিন্দুর ওয়েবসাইটে (bindumag.com) প্রকাশিত হলো৷ এই প্রবন্ধটি ভারতের সুমন সাধু লিখিয়ে নিয়েছিলেন তাঁদের লিটলম্যাগ ‘আঙ্গিক’ এর পাঠক সংখ্যার জন্য৷ পরে বাঙলাদেশে এটি লিটলম্যাগ ‘জঙশন’ এ প্রকাশ করি৷ কিন্তু লেখাটি অনলাইনে ছিলো না বলে কেউ কেউ এটি পড়তে চাইলে মুশকিল হয়ে যেত৷ আর তাছাড়া আমি নিজে থেকেও চাচ্ছিলাম লেখাটিকে কিছু পাঠকের মুখোমুখি করতে৷


0 comments: