বুদ্ধিজীবী জেলের ভেতরে, লুটপাটজীবী জেলের বাইরে



একটা গল্প বলি৷ নাসিরউদ্দিন হোজ্জা বেড়াতে এসেছেন ঢাকায়। গরুর পায়া খেতে গিয়ে দাঁতে ব্যথা পেলেন।
দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে গেলেন ডেন্টিস্টের কাছে।

ডেন্টিস্ট জিজ্ঞাসা করলেন, আপনার কি হয়েছে?
কুঁ কুঁ করে, হাতে ইশারা করে হোজ্জা বোঝালেন, তার দাঁতে ব্যথা।
ডেন্টিস্টঃ আপনি কি কথা বলতে পারেন না?
হোজ্জা উপরে নিচে মাথা নাড়লেন, পারি।
ডেন্টিস্টঃ তাহলে কথা বলছেন না কেন?
(হোজ্জা চুপ।)

ডেন্টস্টঃ আচ্ছা, ঠিক আছে, কথা বলতে হবে না। হা করুন। দেখি কোন দাঁতে সমস্যা।
হোজ্জা তবুও চুপ। মুখ তার বন্ধ।
ডেন্টিস্টঃ আরে বাবা, কী জ্বালা! আপনি মুখ না খুললে আমি দাঁত দেখব কীভাবে, আর চিকিৎসা করব কীভাবে?

এবার হোজ্জা বললেন, মুখ না খুলে যদি দাঁতের চিকিৎসা করতে পারেন, তাহলে করুন। এদেশে আমি মুখ খোলার রিস্ক নিতে চাই না।

গল্প শেষ৷ গল্পের শিক্ষা হলো, এদেশে আপনি মুখ খুলেছেন তো মরেছেন৷ কিছু দিন আগে লোকের মুখে মুখে ঘুরছিল, ‘নাম বললে চাকরী থাকবে না’৷ যে কোনও প্রসঙ্গে লোকে এই কথা বলার মধ্য দিয়ে মুখ খুলতে অস্বীকৃতি জানাতো৷ সেও একই কারণে৷ মুখ খুলে আলোকচিত্র শিল্পী শহিদুল আলম জেলে গেলেন, সহঃ অধ্যাপক মাইদুল ইসলাম জেলে গেলেন, সহঃ অধ্যাপক আর রাজী তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হচ্ছেন বারবার… আরও নাম বলা যাবে এই তালিকায়৷


আমি অত্যন্ত লজ্জিত হই এই ভেবে যে, আমার প্রিয় স্বদেশ ক্রমশ জাহান্নামে পরিণত হচ্ছে৷ অসভ্য আইন প্রণয়ন এখানে অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে৷ ধরুন, একজন একটা মত প্রকাশ করেছে, যেটা সরকারের পছন্দ হচ্ছে না; এখন সরকার মহাশয় ভাবলেন এটা যেহেতু তার পছন্দ নয়, অতএব আটকানো দরকার, তো বানাও আইন৷ গ্রেফতার করতে হবে? বানাও আইন৷ গুলি করতে হবে? বানাও আইন৷ লুট করতে হবে? তার জন্যেও বানাও৷ মানে যা করতে ইচ্ছে হবে, তার জন্যই নতুন আইন বানানো খুব সহজ ব্যাপার হয়ে গেছে৷
.
জনগণ কোন ছার৷ কোনও কাজেই আজ আর জনগণের মতামত দরকার পড়ছে না৷ আগে বলা হতো নির্বাচনে ভোট দান গণতন্ত্রের ‘দ্য লাস্ট সিম্বল’৷ এখন সেই সিম্বলেরও আর অবশিষ্টাংশ নেই৷ সরকারের কোনও কর্মকাণ্ড যদি জনগণ আটকাতে চায় তাহলে রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে আন্দোলন করাই একমাত্র পথ হয়ে উঠেছে৷

এরকম একটা দেশ যেখানে ঘুষ ছাড়া চাকুরী তো দূরের কথা, সরকারি ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায় না; যেখানে ধর্ষক, গুণ্ডা–বদমাশ জামিনে মুক্তি পায়, বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়; যেখানে প্রধান বিচারপতি জানের ভয় দেশ ছেড়ে পালায়; যে দেশে লুন্ঠন কিংবা গুম কোন অপরাধ নয়, সেখানে শহিদুল আলম কিংবা মাইদুল ইসলাম জেলখানায় বন্দী থাকবেন এটাই বাস্তব৷ জেলখানার ভেতরে থাকবেন শিক্ষক–বুদ্ধিজীবী, আর জেলখানার বাইরে থাকবে গুণ্ডা–বদমাশ৷

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কটূক্তির’ অভিযোগে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাইদুল ইসলামের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে সাময়িক বরখাস্তও করেছে!

মাইদুল ইসলামের সাথে আমার কয়েকবার দেখা হয়েছিল৷ আড্ডা দিয়েছিলাম৷ তখন দেখেছি তার কবিতাপ্রেম, শিল্পের প্রতি কী আন্তরিক টান, লালন ফকিরের প্রতি শ্রদ্ধা-ভালবাসা৷ অপাদমস্তক প্রগতিশীল-আধুনিক চিন্তাসম্পন্ন একজন মানুষ তিনি৷ বই পড়ায় তিনি অক্লান্ত৷ সেই তিনিও আজ বন্দী কারাগারে! আশ্চর্য এই দেশ৷

পত্রিকায় পড়লাম, দেশব্যাপী কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন জনাব মাইদুল ইসলাম ফেসবুকে আন্দোলন সমর্থন করে পোস্ট দেবার জের ধরে গত জুলাই মাসের ১৭ তারিখে মাইদুল ইসলামসহ অপর একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ এবং শিক্ষকদ্বয়কে নিজ কর্মক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। ছাত্রলীগের হুমকির মুখে মাইদুল ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হন এবং প্রক্টরের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে চিঠিও দেন। পরবর্তী সময়ে গত ২৩ জুলাই মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় ‘তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায়’ মামলা দায়ের করেন। মামলায় এই মর্মে অভিযোগ আনা হয় যে, শিক্ষক মাইদুল ইসলাম নানা সময়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এই মামলার জের ধরেই গত ৬ই আগস্ট উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিন নেন মাইদুল। সোমবার সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মাইদুল ইসলাম। নিম্ন আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষককে জেলে প্রেরণ করেন।

পুরো প্রক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পূর্ণ উৎসাহ ও সমর্থন ছিল, যার মনোরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তড়িঘড়ি করে মাইদুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে। পরম খেদের বিষয়, ছাত্ররা (ছাত্রলীগের) শিক্ষককে বহিষ্কার করার ও জেলে পাঠানোর সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছে। তাঁকে জামাত-শিবির বলে প্রচার করছে৷ এসব ডামাডোলে শিক্ষক সমিতি কিছুই করে নি৷

যেই ছাত্রলীগ একজন প্রগতিশীল শিক্ষককে ক্যাম্পাস ছাড়া করার উদ্দেশ্যে তাকে জামাত-শিবির ইত্যাদি তকমা দিচ্ছে সেই ছাত্রলীগই কাদের মোল্লাকে শহীদ দাবী করা কিংবা সাইদীকে নিস্পাপ দাবী করা বহু শিক্ষকদের ব্যাপারে আশ্চর্যরকম নিশ্চুপ।

এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ ফেইসবুকে লিখেছেন, ‘সবচাইতে বড় অপরাধ এখন কথা বলা আর লেখা। এ নিয়েই সরকারের যতো ভয়। যখন খুনের দায়ে দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মাফ পায়, হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে সরকারের কর্তাব্যক্তি, বন উজাড় আর নদী বিনাশ হয় উন্নয়ননামা, নির্যাতন আর গুমখুন যখন হয় দেশ পরিচালনার ভাষা তখন নাগরিকদের মতপ্রকাশ তো ভীতির কারণ হবেই! চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাইদুল ইসলাম এই মতপ্রকাশের দায়েই এখন কারাগারে। কিন্তু মতপ্রকাশ ছাড়া শিক্ষকতা কীভাবে হতে পারে?’

আনু মোহাম্মদ যে প্রশ্নটি তুলেছেন শেষ বাক্যে, সেটি যে কোনও সভ্য দেশের জন্য প্রযোজ্য৷ কিন্তু বাংলাদেশ কি কোনও সভ্য দেশ?

এই দেশে শুধু শিক্ষকতা নয়, যে কোনও পদধারী হবার ক্ষেত্রে একমাত্র দলীয় লেজুরবৃত্তির যোগ্যতাই বিবেচ্য৷ তা না হলে মাইদুল ইসলামের মতো শিক্ষকের আরো উচ্চ আসনে থাকার কথা ছিলো৷ সমাজের প্রকৃত সমস্যাগুলো নিয়ে গবেষণা করার অধ্যাপক যেখানে আজকাল দেখাই যায় না, সেখানে তার গবেষণাপত্রের শিরোনাম দেখুন, ‘Secularism in Bangladesh: An Unfinished Revolution’ কিংবা ‘Impact of Microfinance’ অথবা ‘Political Islam in Bangladesh: From Faraidi Movement to Hefazat-i-Islam’. পাঠক, আশা করি শিরোনাম পড়ে কিছুটা হলেও আন্দাজ করতে পারছেন৷

Sage Publications এর মতো জার্নালে উনার একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে 'Secularism in Bangladesh' শিরোনামে। একই জার্নালে আরেকটি আর্টিকেল প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায় আছে 'Socio-Economic Impact of Microfinance on the Poor Family: A Study from Bangladesh' শিরোনামে।

অথচ নগণ্য মানের গবেষণা নিয়ে অনেক শিক্ষক দলীয় আনুগত্যে নিয়োগ পেয়ে জীবনভর নির্লজ্জ লেজুড়বৃত্তি করে যান, টিকে যান, দাপটের সাথে স্ব-পদে বহাল থাকেন, পদোন্নতিও পেয়ে যান৷

Meritocratic Value (মেধাতান্ত্রিক মূল্য) যখন Political Allegiance (রাজনৈতিক আনুগত্য) এর কাছে হেরে যায় তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কী পরিণতি হয়, তা বুঝতে এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব়্যাংকিং এর দিকে তাকালেও চলে।

ন্যুনতম স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে হলে লড়াইয়ের কোনও বিকল্প নেই। মাইদুল ইসলামের মতো বুদ্ধিজীবীদের সসম্মানে মুক্তি ও ক্ষতিপূরণ ব্যাতিত সরকারেরও মুক্তি নেই৷

তাঁর স্ত্রী রোজিনা রোজির ফেইসবুকে প্রদত্ত বক্তব্য দিয়েই শেষ করবো, ‘মাইদুলকে ফিরিয়ে দাও। প্রয়োজনে আমাকেও জেলে পোরো,আমার জন্য একটা জায়গা হবে নিশ্চই। মাইদুলের কষ্ট-সংগ্রামের ভাগ আমাকেও দাও।’

সংযুক্তিঃ মাইদুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চাশজন শিক্ষক বিবৃতি দিয়েছেন৷ বিবৃতির অংশবিশেষ এখানে তুলে দিচ্ছি, ‘আমরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছি যে, এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের একটি যৌক্তিক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করাকে অন্যায় হিসেবে সনাক্ত করা হয়েছে এবং তার শাস্তিস্বরূপ শিক্ষককে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। অথচ একটা সময়ে এই সমাজে শিক্ষকদের এমন প্রতিবাদী ভূমিকাকে যথোচিত এবং গৌরবজনক হিসেবেই গণ্য করা হতো। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু মতভিন্নতার কারণে কাউকে হুমকি দেয়া হবে, তাকে তার কাজের জায়গায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে, তার চাকুরিচ্যুতির দাবি উঠবে-এমনটা মেনে নেয়া যায়না। বিশেষত, জনগনের পয়সায় চলছে যে প্রতিষ্ঠান, যার সাথে যুক্ত শিক্ষার্থী-শিক্ষকেরা নিজেদের জাতির বিবেক বলে মনে করেন, দাবি করেন, সেখানে এধরনের কণ্ঠরোধী চর্চা আমাদের উদ্বেগকে আরো বাড়িয়ে দেয়। আমরা স্পষ্ট দেখতে পাই এটি কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে ভিন্নমতকে দমনের, ভয়ভীতির দেখানোর, নিপীড়নমূলক যে চর্চা শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত ঘটনাটি তারই অংশমাত্র। আজকের বাংলাদেশে দাগী এমনকি খুনের আসামীর জন্য রাষ্ট্রপতি বিশেষ ক্ষমার আইনটি প্রয়োগ করেন, অথচ একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে মত প্রকাশের জন্য জেলে যেতে হয়। আমরা এই হুমকি এবং জেল-জুলুমের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।
পরিস্থিতি এখন এতটাই নাজুক যে, এতবড় ঘটনার পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে যেমনভাবে এর প্রতিবাদ হওয়া দরকার, তেমন কোনো নড়াচড়া লক্ষ করছি না। ইতোপূর্বে মাইদুল এবং তাঁর প্রতি সহকর্মী শিক্ষকদের সমর্থনে ছাত্রছাত্রীরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করতে গেলে, সেটিও ছাত্রলীগের হামলায় পণ্ড হয়ে যায়। আমরা আরো জানতে পেরেছি যে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির এক সভায় মাইদুলের প্রতি সংঘটিত ঘটনাসমূহ যে অনভিপ্রেত এ মত ব্যক্ত হলেও দিন শেষে ‘ওপর মহলের’ ঈঙ্গিতে এই মর্মে একটি বিবৃতি প্রকাশ হতে তারা পিছিয়ে আসেন। একদিকে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের মাস্তানতন্ত্র, অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় আইনি কাঠামোর নিবর্তনমূলক প্রয়োগ এবং সার্বিকভাবে সমাজে ভয় ও তোষণের রাজনীতির সম্প্রসারণ আমাদের এমন এক জায়গায় নিয়ে দাঁড় করিয়েছে যে, ক্ষমতার চোখে চোখ রেখে সাদাকে সাদা বলবার সাহসটুকুও আমরা হারাতে বসেছি। আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মচারী এবং দেশের আপামর জনসাধারণকে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে আহ্বান জানাই। সরকারের কাছে দাবি জানাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিবর্তনমূলক জেল-জুলুম থেকে মাইদুল ইসলামকে সসম্মানে মুক্তি দেয়া এবং তাকে হুমকি প্রদানকারীদের সনাক্ত করে অতিসত্বর বিচার এবং শাস্তির আওতায় আনা হোক। বাংলাদেশে শুভবুদ্ধির জয় হবে এই বিশ্বাস আমাদের আছে। এই বিষয়ে বিবৃতি লেখার সময় মাইদুলের চাকুরিচ্যুতির সংবাদ আমাদের ক্ষুব্ধ করেছে। আমরা এই চাকুরিচ্যুতির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই ও ক্ষোভ জানচ্ছি।’

২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 

0 comments: