আমার লেখা, কপিরাইট, কপিপেস্ট প্রসঙ্গে আলাপ


সুইটিঃ লোকজন তোমার কবিতার লাইন নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছে, ফেসবুকে দেখলাম!
সাম্য রাইয়ানঃ জানি ।
সুইটিঃ কিছু বলো না?
সা রাঃ নাহ্
সুইটিঃ কেন?
সা রাঃ লোকে আমার লেখা নিজের নামে চালায়, এটা দেখতে আমার ভাল লাগে ।
সুইটিঃ তোমার স্ট্যাটাস কপিপেস্ট করলো এক ছেলে । তুমি দশ ঘন্টা আগে যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলে সেটাই কপি করে এক ঘন্টা আগে দিলো দেখলাম । ও আবার তোমার বিরুদ্ধেও কথা বলে খুব ।
সা রাঃ আসলে ওর মস্কিষ্কজুড়ে শুধু আমি আর আমি, এর অর্থ হল আমাকে সে ভেতরে ভেতরে অনুসরণ-অনুকরণ করে । আমি কী করতে পারি?
সুইটিঃ ওরা একটা পত্রিকা করে । সেটার ফেসবুক আইডিতে তোমার একটা প্রবন্ধ ওদের নামে চালায় দিছে । জিজ্ঞেস করলাম, এটা কার লেখা; নাম নিলো না তোমার । অথচ একটা বর্ণ এদিক সেদিকও করেনি! হুবহু প্রকাশ করেছে, শুধু তোমার নাম ছাড়া । এমনকি তোমাদের ‘বিন্দু’র যে সংখ্যায় প্রবন্ধটা প্রকাশিত হয়েছিল সেই সংখ্যার প্রচ্ছদসহ দিয়েছে । তবে প্রচ্ছদ থেকে বিন্দুর নাম তুলে দিয়ে শুধু ছবিটুকু রেখেছে । কিছু বলবা না?
সা রাঃ নাহ্ । হুবহু প্রকাশ করেছে । আমাদের চিন্তাটা ছড়িয়ে দিচ্ছে । এটা ভালো না?
সুইটিঃ তোমার কবিতা, প্রবন্ধ এমনকি স্ট্যাটাস নকল করছে, কিছুই বলছো না এটা আমার কাছে সঠিক মনে হচ্ছে না ।
সা রাঃ কিছু মানুষ সারাজীবন নকল করেই পাশ করেছে । এরা এটা করবেই, কেননা এদের মস্তিষ্ক কাঠের । এরা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী । ফলে মস্তিষ্কের সক্ষমতা নাই এদের । এরা নকল করতেই থাকবে, করুক গে… । আমার ওসব ভাবার সময় নাই । আমার লেখায় আমি কপিরাইটই রাখি নি ।

 ●  ( ফেইসবুক ইনবক্সে কথোপকথন । অনুমতি নিয়ে আংশিক প্রকাশিত হল । )




0 comments: